ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পদ্মা সেতুর ৪ বছরপূর্তি: টোল আদায় ৩৪২৯ কোটি, ঋণ পরিশোধ ২৫১৬ কোটি টাকা

২০২২ সালের ২৫ জুন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন এবং ২৬ জুন থেকে এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। উদ্বোধনের পর থেকেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।
  • আপলোড তারিখঃ 01-07-2026 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 7077 জন
পদ্মা সেতুর ৪ বছরপূর্তি: টোল আদায় ৩৪২৯ কোটি, ঋণ পরিশোধ ২৫১৬ কোটি টাকা ছবির ক্যাপশন: ২০২২ সালের ২৫ জুন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন

উদ্বোধনের চার বছরপূর্তির আগেই এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এই চার বছরেরও কম সময়ে সেতুটি থেকে টোল আদায় হয়েছে মোট ,৪২৯ কোটি টাকা। একই সময়ে সরকারের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের বড় একটি অংশ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বাসেক) পর্যন্ত মোট ২৫১৬ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হলেও সরকারের কোষাগার থেকে নেওয়া টাকা সেতু কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট সুদে ঋণ হিসেবে পরিশোধ করতে হচ্ছে।

নিচে পদ্মা সেতুর টোল আদায় ঋণ পরিশোধের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো:

বিবরণ

পরিমাণ (কোটি টাকা)

মোট টোল আদায়

,৪২৯ কোটি

মোট ঋণ পরিশোধ

,৫১৬ কোটি

কিস্তির সংখ্যা

নির্দিষ্ট মেয়াদে ধারাবাহিক কিস্তি

২০২২ সালের ২৫ জুন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন এবং ২৬ জুন থেকে এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। উদ্বোধনের পর থেকেই দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।

সেতু কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানান:"পদ্মা সেতু যে কেবল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করেছে তা নয়, এটি দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত দ্রুত ইতিবাচক রিটার্ন দেওয়া শুরু করেছে। যে গতিতে টোল আদায় হচ্ছে, তাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো নির্মাণ ব্যয় তুলে আনা সম্ভব হবে।"

চুক্তি অনুযায়ী, পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারের দেওয়া ঋণ শতাংশ সুদে মোট ১৪০টি ত্রৈমাসিক কিস্তিতে (৩৫ বছরে) পরিশোধ করার কথা রয়েছে। তবে উদ্বোধনের পর থেকে নিয়মিতভাবে বড় অঙ্কের কিস্তি পরিশোধ করে আসছে বাসেক, যা দেশের মেগা প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পদ্মা সেতুর এই বিশাল আর্থিক সাফল্য দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে।



নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ my24news

কমেন্ট বক্স
notebook

সংবাদটা যেনো বস্তুনিষ্ট, সত্য ও নিরপেক্ষ হয়